হযরত শোয়াইব (আঃ) এর নিঃস্বার্থ ও আন্তরিকতাপূর্ণ দাওয়াত তাঁর কওমের লোকদের হ্রদয়ে রেখাপাত করল না। তারা বরং আরো বিক্ষিপ্ত ও উচ্ছ্রংখল হয়ে তাঁর সুললিত বয়ান ও অপূর্ব চিত্তহারী বাগ্মীতার জবাবে পূর্ববর্তী ধ্বংসপ্রাপ্ত কওমের নেতাদের মত নবিকে প্রত্যাখ্যান করল এবং ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও তাচ্ছিল্য করে বলল, 'তোমার সালাত কি তোমাকে একথা শিখায় যে, আমরা আমাদের ঐসব উপাস্যের পূজা ছেড়ে দেই, আমাদের পূর্বপুরুষরা যুগ যুগ ধরে যাদের পূজা করে আসছে? আর আমাদের ধন-সম্পদে ইচ্ছামত আমরা যা কিছু করে থাকি, তা পরিত্যাগ করি? তুমি তো একজন সহনশীল ও সৎ ব্যাক্তি' (সূরা-হুদ, আয়াত-৮৭)। অর্থ্যাৎ তুমি একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি হয়ে একথা কিভাবে বলতে পার যে, আমরা আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে চলে আসা দেব-দেবীর পূজা পরিত্যাগ করি এবং আমাদের আয়-উপার্জনে ও রুজি-রোযগারে ইচ্ছামত চলা ছেড়ে দিই। আয়-ব্যয়ে কোনটা হালাল আর কোনটা হারাম তা তোমার কাছ থেকে জেনে নিয়ে কাজ করতে হবে এটা কি কখনো সম্ভব হতে পারে? তাদের ধারনা মতে তাদের সকল কাজ চোখ বুজে সমর্থন করা ও তাতে বরকতের জন্য দোয়া করাই হ'ল সৎ ও ভাল মানুষদের কাজ। শোয়াইব (আঃ) অধিকাংশ সময় ছালাত ও ইবাদত...
Comments
Post a Comment